আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'ভারত ও চীনের চার কেন্দ্রের বিদ্যুতের দাম অস্বাভাবিক'
ভারত ও চীনের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে নির্মিত চারটি কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের বিদ্যুতের দাম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সরকার; জাপান বৈদেশিক ঋণসহায়তার ক্ষেত্রে সুদের হার বাড়ানোয় বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ; জনপ্রশাসনে শীর্ষ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রথা বজায় থাকায় আমলাদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে— এমন খবর গুরুত্ব পেয়েছে শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়। এছাড়া, বিএনপির রাজনৈতিক এবং জামায়াতের স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে নতুন পরিকল্পনার খবরও আছে।
ভারত ও চীনের চার কেন্দ্রের বিদ্যুতের দাম অস্বাভাবিক— সমকালের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ভারত ও চীনের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে নির্মিত চারটি কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
সরকারের অভ্যন্তরীণ এক নথিতে বলা হয়েছে, এসব কেন্দ্রের বিদ্যুতের ট্যারিফ বা ক্রয়মূল্য অস্বাভাবিক বেশি।
বিদ্যুৎকেন্দ্র চারটি হলো– ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি গ্রুপের গোড্ডা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাগেরহাটে ভারত সরকারের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে নির্মিত রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চীনের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে নির্মিত পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আরপিসিএল-নরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার লিমিটেড (আরএনপিএল)।
আগের সরকারের সময় করা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) কিছু শর্তের কারণেই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুসারে, এই চার বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বছরে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি লাগবে।
এমন পরিস্থিতিতে ভারত ও চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়ার চিন্তা করছে সরকার।
বিদ্যুৎ বিভাগের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এসব চুক্তিতে রিটার্ন অন ইকুইটি, নন-রেগুলেটেড রিটার্ন অন ইকুইটি, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় এবং হিট রেটের মতো আর্থিক উপাদান এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বিদ্যুতের ট্যারিফ অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশেষ করে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর ক্ষেত্রে উৎপাদন ব্যয় ও ক্যাপাসিটি চার্জ সরকারের ওপর দীর্ঘমেয়াদি বড় আর্থিক দায় তৈরি করেছে।
প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— জাপানি ঋণের সুদের হার বাড়ল, চাপে বাংলাদেশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, সস্তায় ঋণ দিতে সুপরিচিত জাপান বৈদেশিক ঋণসহায়তার ক্ষেত্রে সুদের হার বাড়িয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ।
ঢাকায় জাপানের দূতাবাস থেকে গত ২৯ মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেওয়া একটি চিঠিতে বলা হয়, জাপান সরকার বৈদেশিক সহায়তা বা অফিশিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্সের পর্যালোচনা করেছে। এটি নিয়মিত পর্যালোচনার অংশ। নতুন সুদের হার ও শর্তাবলি ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে।
চিঠির সঙ্গে মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের জন্য সুদের হার ও শর্তাবলি যুক্ত করা হয়।
সেই তালিকা বিশ্লেষণ করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, বিশেষ প্রকল্পের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এবং সাধারণ— এই তিন শ্রেণিতে জাপান ঋণ দেয়। কোনো ঋণের সুদের হার স্থির এবং কোনোটির পরিবর্তনশীল।
সাধারণ জাপানি ঋণের ক্ষেত্রে গত বছরের অক্টোবরেও সুদের হার (স্থির) ছিল ২ দশমিক ৯ শতাংশ। সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৬ শতাংশে।
স্থির সুদের হারের ক্ষেত্রে আরও তিনটি বিকল্প রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সুদ একই হারে বেড়েছে। তিন বিকল্পের মধ্যে সর্বনিম্ন সুদের হার ২ দশমিক ৭ শতাংশ, যা এত দিন ছিল ২ শতাংশ। আরও বিভিন্ন ধরনের ঋণ ও সুদের হার রয়েছে।
জাপানি নাগরিকদের জন্য পরামর্শক ফি বেড়েছে। তবে ঋণ পরিশোধের সময়কাল ও গ্রেস পিরিয়ড (যে সময়ের জন্য সুদ নেই) সময়সীমা অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে, সুদের হার বাড়ানোর ফলে জাপানের ঋণে প্রস্তাবিত তিনটি প্রকল্প ফেরত পাঠিয়েছে ইআরডি।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Civil admin top posts: Frustration grows over contractual appointment; অর্থাৎ জনপ্রশাসনে শীর্ষ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে হতাশা বাড়ছে।
এই খবরে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়োগের বিতর্কিত প্রথা বিএনপি সরকারের আমলেও দেখা যাচ্ছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারও এই প্রথা ব্যাপকভাবে অনুসরণ করেছিল।
অনেক আমলার মতে, এটি সরকারি চাকরিতে অসন্তোষ বাড়াচ্ছে।
আমলারা আশা করেছিলেন যে নির্বাচিত সরকার শীর্ষ পদ থেকে চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিয়ে প্রশাসনে আমূল পরিবর্তন আনবে, কিন্তু তারা এখন এর বিপরীতটাই দেখছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আটজন সিনিয়র সচিবই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত, যারা কি না ৬৫ থেকে ৭৫ বছর বয়সী। তাদের বেশিরভাগই এক দশকেরও বেশি সময় প্রশাসনিক দায়িত্বের বাইরে ছিলেন।
এই তালিকায় আছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, জনপ্রশাসন ও ভূমি সচিব।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অন্তত ১৮ জন সচিবকে এক থেকে দুই বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, বিএনপি সরকার এক ডজনেরও বেশি এমন নিয়োগ বাতিল করে ১৯ জন সচিবকে চুক্তিতে নিয়োগ দিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, অতীতে মোট সচিবের প্রায় ১০ শতাংশকে চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হতো।
তবে, এখন মোট ৮৫ জন সচিবের মধ্যে এই সংখ্যা ২৫-এ দাঁড়িয়েছে।
এছাড়া, সম্প্রতি দুজন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ জেলা প্রশাসক পদে নিয়োগ দেওয়ায় সমালোচনারও মুখে পড়েছে সরকার।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— বাড়ছে সশস্ত্র ছিনতাই, হত্যা।
এতে বলা হয়েছে, সশস্ত্র ছিনতাইয়ের পাশাপাশি রাজধানীতে হত্যার ঘটনাও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
গত চার মাসে রাজধানীতে ৭৮ জন হত্যার শিকার হয়েছেন।
চলতি বছরের প্রথম চার মাসে রাজধানীতে ১০১টি ছিনতাই ও দস্যুতার মামলা হয়েছে।
যদিও প্রকৃত অপরাধের চিত্র নথিবদ্ধ তথ্যের চেয়ে বেশি বলে ধারণা অপরাধ বিশ্লেষকদের। কারণ, ভুক্তভোগীদের বড় একটি অংশ হয়রানির ভয়ে থানায় যান না। অনেকে পুলিশের 'মামলা না নেওয়ার প্রবণতা'র কারণে কেবল জিডি করে ফিরে আসেন।
আর গত ছয় মাসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রায় ১১০০ ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে।
তারপরও পরিস্থিতির উন্নতি কেন হচ্ছে না, জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. ফারুক হোসেন বলেন, 'গ্রেপ্তার হওয়ার পর ছিনতাইকারীরা দ্রুত জামিনে বেরিয়ে আসে এবং আবারও একই পেশায় জড়ায়। এদের বেশির ভাগ মাদকাসক্ত। ছিনতাই নিয়ন্ত্রণে আমরা চেষ্টা করছি। পুলিশের টহল ও চেকপোস্ট বাড়ানো হয়েছে।'
তিন ধরনের ছিনতাইকারী সক্রিয় রাজধানীতে। তাদের একটি গ্রুপ পেশাদার ছিনতাইকারী, যারা প্রাইভেট কার বা অটোরিকশা নিয়ে নির্দিষ্ট স্পটে ওৎ পেতে থাকে।
মাদকাসক্ত কিশোররা মাদকের টাকা জোগাতে পথচারীদের ব্যাগ বা ফোন ছিনিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
কিশোর গ্যাং ও শৌখিন অপরাধীদের অনেকে উচ্চবিত্ত পরিবারের বখে যাওয়া সন্তান বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রও রয়েছেন, যারা মোটরসাইকেলে ঘুরে বেড়ান এবং 'অ্যাডভেঞ্চার' হিসেবে ছিনতাই করেন।
হাসপাতালই এখন রোগশয্যায়— যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর চার সরকারি হাসপাতাল ঢাকা মেডিকেল, সলিমুল্লাহ মেডিকেল (মিটফোর্ড), সোহরাওয়ার্দী ও মুগদা জেনারেল হাসপাতাল যেন এখন নিজেরাই অসুস্থ।
শয্যা নেই, যন্ত্রপাতি নষ্ট, জনবল সংকট, দালালের দৌরাত্ম্য—এসব 'রোগে' ধুঁকছে হাসপাতালগুলো।
সবগুলোর চিত্র প্রায় একইরকম। ধারণক্ষমতার দুই থেকে তিনগুণ বেশি রোগীর চাপ।
কোথাও চিকিৎসা চলছে ফ্লোরে, বারান্দায়, এমনকি সিঁড়ির নিচেও। এর ওপর রয়েছে দালালচক্রের উৎপাত। কোনো হাসপাতালে যেমন মূল ফটক থেকে ভেতর পর্যন্ত দেখা মিলছে বাজারের, যেখানে পাওয়া যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছুই।
এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
আইসিইউ শয্যা দরকার হলে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ৭ থেকে ১০ দিন; অপারেশন দরকার, সিরিয়াল পেতে লাগবে ৩ থেকে ৫ দিন। এমআরআই করাতে চাইলে মেশিন নষ্ট; আবার যেটি সচল আছে সেটিতে দীর্ঘ সিরিয়াল।
সেবা না পেয়ে রোগী ফিরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
তবে জনবল সংকটসহ নানা সীমাবদ্ধতার কথা বলছেন হাসপাতালগুলোর কর্তৃপক্ষ।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— মাধ্যমিক ও কলেজে শিক্ষার্থীর হার বেশি হলেও শিক্ষকতা ও নেতৃত্বে পিছিয়ে নারীরা।
এই খবরে বলা হয়েছে, প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি, ক্লাসে উপস্থিতি ও পরীক্ষার ফলে ছেলেদের থেকে প্রায়ই এগিয়ে থাকে মেয়েরা।
শিক্ষার্থী হিসেবে এগিয়ে থাকলেও মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষকতা ও নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে এখনো বেশ পিছিয়ে নারীরা।
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রাথমিক স্তরে নারী শিক্ষকদের অংশগ্রহণ সন্তোষজনক পর্যায়ে থাকলেও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে এ চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কওমি মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থায় এ ব্যবধান আরো প্রকট।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে নারী শিক্ষকের হার এক-তৃতীয়াংশেরও কম।
শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে, গত এক দশকে নারীশিক্ষায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকাতেও এখন মেয়েদের স্কুল ও কলেজে যাওয়ার হার বেড়েছে।
তবে শিক্ষাজীবন শেষ করার পর কর্মক্ষেত্রে প্রবেশে নারীরা এখনো নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন। আবার অধ্যক্ষ বা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মতো শীর্ষ পর্যায়ের প্রশাসনিক পদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব একেবারেই কম।
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— ভোগাতে পারে পশুর হাট।
এই খবরে বলা হয়েছে, ঈদুল আজহা সামনে রেখে প্রতিবছর বিভিন্ন মহাসড়কের পাশে এবং কোথাও কোথাও সড়কের অংশ দখল করে অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট বসে।
হাইওয়ে পুলিশের গত বছরের তথ্য অনুযায়ী, কোরবানির ঈদে মহাসড়কের পাশে ২০০টির বেশি পশুর হাট বসেছিল। অনেক হাটে পশু ও ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় কমবেশি মহাসড়কে চলে আসে।
পশুর হাটের কারণে সড়কে যানবাহনের গতি কমে গিয়ে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়, ভোগান্তিতে পড়ে ঘরমুখী মানুষ।
এবার ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাসের পরের দিকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও কালবৈশাখী হতে পারে। যা সড়কের পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে।
এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে এবারও মহাসড়কে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না বলে জোর দিয়ে জানানো হয়েছে। আগেও এমন ঘোষণা এলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন খুব একটা দেখা যায়নি। এবার নতুন সরকার তাদের ঘোষণা কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:
নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Cybercrimes go unabated।
এই খবরে বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত লজিস্টিক সহায়তার অভাবে পুলিশ ভুক্তভোগীদের সহায়তা করতে হিমশিম খাওয়ায় দেশজুড়ে সাইবার অপরাধের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মাসিক তথ্য থেকে দেখা গেছে, সাইবার অপরাধের ভুক্তভোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।
গত এপ্রিলে সিআইডির সাইবার পুলিশ কেন্দ্রের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ এবং হটলাইন নম্বরের মাধ্যমে ৮৮৬ জন ভুক্তভোগী সহায়তা চেয়েছেন। যেখানে মার্চে ভুক্তভোগীর সংখ্যা ছিল ৬৫০ এবং ফেব্রুয়ারিতে ৪৭৬।
তবে, পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরকারী ভুক্তভোগীর সংখ্যা অনেক কম। কারণ অনেকেই আইনি প্রতিকার চান না।
সিআইডির মাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিলে ৬১ জন ভুক্তভোগী অভিযোগ দায়ের করেছেন। মার্চে এই সংখ্যা ছিল ৬৮ এবং ফেব্রুয়ারিতে ৪২।
সিআইডির সাইবার পুলিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সাধারণত যেসব অপরাধের অভিযোগ ওঠে তার মধ্যে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং ও ক্লোনিং, অনলাইন জুয়া, অনলাইন হয়রানি, অনলাইন প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল ও হুমকি, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং, এমএফএস-সম্পর্কিত প্রতারণা, পর্নোগ্রাফি এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড হ্যাকিং ও জালিয়াতি।
সংগঠন চাঙ্গা করতে নেতাদের সঙ্গে বসছেন তারেক রহমান— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, সরকার গঠনের পর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে। দলের ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন।
তার মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই চলছে বেশিরভাগ সংগঠনের কার্যক্রম।
এজন্য সংগঠনকে গতিশীল ও রাজপথে সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছেন বিএনপির হাইকমান্ড।
এরই অংশ হিসেবে আজ শনিবার বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মতবিনিময়ে তারেক রহমান মূলত কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের জন্য তৃণমূল নেতাদের মতামত শুনবেন।
এদিকে, দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের আগেই জেলা পর্যায়সহ অঙ্গসংগঠনের কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় বিএনপি।
এরই অংশ হিসেবে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিএনপির বেশ কয়েকটি অঙ্গসংগঠনে নতুন নেতৃত্ব আসতে পারে। কোনোটি আবার পূর্ণাঙ্গ করা হতে পারে।
তরুণদের সামনে এনে জামায়াতের নতুন ছক— দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তরুণ প্রার্থী বেছে নিচ্ছে জামায়াত।
সিটি করপোরেশনের মেয়র থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার পর্যন্ত প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তরুণ নেতাকর্মীদের প্রাধান্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
এমনকি ছাত্রশিবির থেকেও প্রার্থী করা হচ্ছে, যা এর আগে কখনো দেখা যায়নি।
প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ছাত্রশিবিরের সদ্য সাবেক নেতাদের গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াত। বিশেষ করে '২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র নেতাদের সামনে নিয়ে আসার বিশেষ ছক কষে এগোচ্ছে দলটি।
এরই মধ্যে ১২টি সিটি করপোরেশনের মধ্যে ৮টির প্রার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এবং ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করেছে জামায়াত।